(Ref: Figure ২.৪, Figure ২.৫)
বিলুপ্ত প্রাণীকে আবার ফিরিয়ে আনার ধারণা নিয়ে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান Colossal Biosciences। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে, তারা জিন সম্পাদনার মাধ্যমে বিলুপ্ত ডায়ার উলফ (dire wolf)-এর কাছাকাছি বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন প্রাণী তৈরির পথে অগ্রসর হয়েছে।
তবে অনেক বিজ্ঞানী এই দাবিকে পুরোপুরি সমর্থন করেননি। তাদের মতে, জিন সম্পাদনার মাধ্যমে কিছু বৈশিষ্ট্য পুনর্গঠন করা গেলেও আসল বিলুপ্ত প্রাণীকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।
গবেষকরা বলছেন, এসব গবেষণা জিন প্রযুক্তি ও সংরক্ষণবিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, কিন্তু “বিলুপ্ত প্রাণী ফিরিয়ে আনা” বিষয়টি এখনো অনেকটাই বিতর্কিত।

চিত্র ২.৪ : পরীক্ষামূলকভাবে জিন সম্পাদিত “woolly mouse”
গবেষণায় ব্যবহৃত জিন সম্পাদনা প্রযুক্তির মাধ্যমে কিছু প্রাণীর শারীরিক বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এসব প্রযুক্তি ভবিষ্যতে সংরক্ষণবিজ্ঞান এবং বিপন্ন প্রাণী রক্ষায় সহায়ক হতে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, একটি প্রাণীর কিছু বৈশিষ্ট্য অনুকরণ করলেই সেটিকে আসল বিলুপ্ত প্রাণী বলা যায় না। কারণ প্রকৃত প্রাণীর আচরণ, পরিবেশগত ভূমিকা এবং বিবর্তনীয় ইতিহাস পুনর্গঠন করা অত্যন্ত জটিল।
অনেক গবেষক মনে করছেন, এ ধরনের গবেষণা বৈজ্ঞানিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর নৈতিকতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং বাস্তবতা নিয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন।

চিত্র ২.৫ : কল্পিত ডায়ার উলফ (dire wolf)-সদৃশ প্রাণীর চিত্র
Michael Le Page (2026). Scientists question claims of bringing extinct animals back. New Scientist, Volume 269, Issue 3578, Page 20. ISSN 0262-4079.
DOI:
https://doi.org/10.1016/S0262-4079(26)00091-6
ScienceDirect:
https://www.sciencedirect.com/science/article/pii/S0262407926000916
Image Source:
Colossal Biosciences


Leave a Reply