( Ref: Figure ২.১০ )
নতুন প্রজন্মের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি এখন ছবি, লেখা, ভিডিও এবং কণ্ঠস্বর তৈরি করতে সক্ষম হচ্ছে। তবে এসব প্রযুক্তি নিয়ে বড় ধরনের কপিরাইট বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
বিভিন্ন শিল্পী, লেখক এবং কনটেন্ট নির্মাতারা অভিযোগ করছেন, এআই মডেলগুলো তাদের অনুমতি ছাড়াই বিপুল পরিমাণ কপিরাইটযুক্ত কনটেন্ট ব্যবহার করে প্রশিক্ষিত হয়েছে।
বিশেষ করে এআই দিয়ে পরিচিত কার্টুন, সিনেমা বা শিল্পশৈলীর মতো নতুন ছবি তৈরি করা গেলে কপিরাইট মালিকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

চিত্র ২.১০ : বিভিন্ন অভিযোগের পর এআই-তৈরি কনটেন্ট নিয়ে কপিরাইট বিতর্ক তীব্র হয়েছে
ওপেনএআই (OpenAI), মিডজার্নি (Midjourney) এবং অন্যান্য প্রযুক্তি কোম্পানির বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে একাধিক মামলা হয়েছে।
গবেষকদের মতে, অনেক এআই মডেল ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত বিপুল পরিমাণ তথ্য ব্যবহার করে প্রশিক্ষিত হয়েছে, যেখানে কপিরাইটযুক্ত উপাদানও থাকতে পারে।
সমালোচকদের দাবি, এভাবে শিল্পী বা লেখকদের কাজ ব্যবহার করে নতুন কনটেন্ট তৈরি করা হলে মূল স্রষ্টারা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।
অন্যদিকে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বলছে, এআই মডেলগুলো সরাসরি কপি করে না; বরং বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে নতুন কনটেন্ট তৈরি করে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে এআই ব্যবহারের জন্য নতুন ধরনের কপিরাইট আইন ও নীতিমালা তৈরি করতে হতে পারে।
Chris Stokel-Walker (2026). AI companies face mounting copyright pressure. New Scientist, Volume 269, Issue 3579. ISSN 0262-4079.
Midjourney and OpenAI copyright discussions.
University of Sussex commentary on AI and copyright issues.
Image Source:
Maximum Film / Alamy

Leave a Reply